দাম্পত্যে ঘনিষ্ঠতা ও সঙ্গিনীকে রোমান্টিক করতে শরীরের কিছু সংবেদনশীল অংশ
দাম্পত্য জীবনে শারীরিক ও মানসিক সখ্যতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। অনেক সময় দীর্ঘদিনের অভ্যস্ততায় সম্পর্কে একঘেয়েমি চলে আসে। তবে গবেষণায় দেখা গেছে, সঙ্গিনীর শরীরের কিছু বিশেষ ও সংবেদনশীল অংশে সঠিক স্পর্শ এবং আদর সম্পর্কের ঘনিষ্ঠতাকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিতে পারে। জেনে নিন এমন কিছু জায়গার কথা যা সঙ্গিনীকে দ্রুত 'টার্ন অন' বা উত্তেজিত করতে সাহায্য করে:
১. ঘাড়ের পেছনের অংশ: এটি নারীদের শরীরের অন্যতম সংবেদনশীল জায়গা। অনেক সময় এই অংশটি এড়িয়ে যাওয়া হয়, তবে এখানে হালকা স্পর্শ, আঙুল বোলানো বা আলতো চুম্বন সঙ্গিনীকে খুব দ্রুত রোমান্টিক মুডে নিয়ে আসতে পারে।
২. কানের লতি: কানের চারপাশে হালকা নিঃশ্বাস ফেলা বা কানের লতিতে আলতো স্পর্শ অনেক বেশি কার্যকর। তবে কানের ছিদ্রে স্পর্শ না করাই ভালো, কারণ এটি অনেকের কাছে অস্বস্তিকর হতে পারে।
৩. উরু বা থাই: উরুর নরম অংশে স্পর্শ করা সঙ্গিনীকে দ্রুত উত্তেজিত করার একটি অন্যতম উপায়। এটি শারীরিক ঘনিষ্ঠতার আকাঙ্ক্ষাকে বাড়িয়ে দেয়।
৪. হাতের তালু ও পায়ের পাতা: হাতের তালুতে আঙুল দিয়ে সুড়সুড়ি দেওয়া বা আলতো করে ঘষা পরবর্তী ঘনিষ্ঠতার একটি চমৎকার সংকেত হিসেবে কাজ করে। এছাড়া পায়ের পাতায় মালিশ বা সুড়সুড়িও অনেকে বেশ উপভোগ করেন।
৫. পিঠ ও কলার বোন: পিঠের নিচের অংশ এবং মেরুদণ্ড বরাবর চুম্বন বা স্পর্শ সঙ্গিনীর মুড পরিবর্তন করতে দারুণ কার্যকর। এছাড়া ব্রেস্টের দিকে যাওয়ার আগে কলার বোন বা গলার নিচের হাড়ের অংশে আদর করলে সঙ্গিনী আপনার গভীর আকাঙ্ক্ষা অনুভব করতে পারেন।
মনে রাখবেন, প্রত্যেকের শারীরিক সংবেদনশীলতা আলাদা। তাই সঙ্গিনীর পছন্দ-অপছন্দ ও সম্মতির দিকে খেয়াল রাখা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
