চুয়াডাঙ্গায় স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণ: অভিযুক্ত যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলায় এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে মোহাম্মদ সালাম (২৫) নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গা শিশু ধর্ষণ অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারক এবং জেলা ও দায়রা জজ মো. মোস্তাগীর আলম এই কঠোর রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত সালাম দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা গ্রামের বজলুর রশিদ মজুর ছেলে।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৩ মার্চ কার্পাসডাঙ্গা এলাকার দশম শ্রেণির এক ছাত্রী প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার সময় নিখোঁজ হয়। আসামি সালাম তাকে অপহরণ করে বিভিন্ন স্থানে আটকে রাখে। সেখানে একটি ভুয়া বিয়ের কাবিননামা তৈরি করে ওই ছাত্রীকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
পরবর্তীতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. হারুন অর রশীদ তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। বিচারিক প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় সামনে আসে যে, ভিকটিমের বয়স ১৬ বছরের কম ছিল। মেডিকেল রিপোর্টে ধস্তাধস্তির চিহ্ন না থাকলেও আইন অনুযায়ী ১৬ বছরের কম বয়সী কারো সঙ্গে সম্মতিবিহীন বা ভুয়া সম্পর্কের মাধ্যমে শারীরিক মিলন ধর্ষণের শামিল। সব তথ্য-প্রমাণ ও সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত সালামকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেন। রায় ঘোষণার পর কড়া পুলিশ পাহারায় আসামিকে চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
.png)