সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে ৩ লাখ টন ডিজেল আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন
দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে এবং আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা বিবেচনায় নিয়ে ৩ লাখ টন ডিজেল আমদানির প্রস্তাব নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। আজ বুধবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
মূল বিষয়গুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি: সাধারণত উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে তেল কেনা হলেও, জরুরি পরিস্থিতি বিবেচনায় এবার 'সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি' (Direct Procurement Method) অনুসরণ করা হচ্ছে। গণ খাতে ক্রয় আইন, ২০০৬ অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনে এই পদ্ধতিতে পণ্য কেনার সুযোগ রয়েছে।
সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান: তিনটি আলাদা প্রতিষ্ঠান থেকে ১ লাখ টন করে মোট ৩ লাখ টন ডিজেল কেনা হবে। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো— ইয়ার এনার্জি এজি, কে অ্যান্ড আর ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডিং কোম্পানি এবং সিকদার ইন্টারন্যাশনাল।
কেন এই সিদ্ধান্ত: মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার যুদ্ধাবস্থা এবং হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলে বিধিনিষেধের কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ বিঘ্নিত হচ্ছে। এই সংকট মোকাবিলায় এবং বাড়তি চাহিদা পূরণে সরকার দ্রুত আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বর্তমান পরিস্থিতি: যুদ্ধের পর থেকে এ পর্যন্ত ৯টি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রায় ১০ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তবে জানা গেছে, নতুন অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানগুলোর অধিকাংশই এখনো জামানত বা পারফরম্যান্স গ্যারান্টি (পিজি) জমা দেয়নি এবং এলসি (LC) খোলার প্রক্রিয়াও শুরু হয়নি।
.png)