মার্কিন দাবি ছাপিয়ে ইরানের হাতে এখনও বিধ্বংসী ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ
মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইরানের সামরিক সক্ষমতা ধ্বংসের দাবি করা হলেও, খোদ মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার গোপন মূল্যায়নে উঠে এসেছে ভিন্ন চিত্র। সিএনএন-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে যে ইরানের কাছে এখনও পুরো অঞ্চলে ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর মতো বিপুল সামরিক সক্ষমতা অবশিষ্ট রয়েছে। গোয়েন্দা তথ্য মতে, তেহরানের ড্রোন শক্তির প্রায় ৫০ শতাংশ এখনও পুরোপুরি অক্ষত আছে, যার সংখ্যা কয়েক হাজার হতে পারে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, অনেক ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার হয়তো হামলার কারণে মাটির নিচে চাপা পড়ে আছে, কিন্তু সেগুলো পুরোপুরি ধ্বংস হয়নি। অর্থাৎ এগুলো সাময়িকভাবে ব্যবহারের অনুপযোগী হলেও যেকোনো সময় সচল করা সম্ভব। বিশেষ করে ইরানের উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ক্রুজ মিসাইলের এক বিশাল অংশ এখনও অক্ষত রয়ে গেছে। এর প্রধান কারণ হলো, যুক্তরাষ্ট্র ইরান উপকূলে তেমন কোনো বিমান হামলা চালায়নি। এই মিসাইলগুলোর মাধ্যমে ইরান হরমুজ প্রণালিতে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে বড় ধরনের হুমকি তৈরি করতে পারে।
মজার বিষয় হলো, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ জনসমক্ষে দাবি করেছিলেন যে ইরানের হামলা করার সক্ষমতা ৯০ শতাংশ কমে গেছে এবং তাদের অস্ত্র কারখানাগুলো ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। তবে গোয়েন্দা রিপোর্টগুলো এই দাবির সঙ্গে একমত নয়। বরং এটি স্পষ্ট করছে যে, ইরানের টিকে থাকা সামরিক শক্তি এখনও অত্যন্ত শক্তিশালী এবং তা মার্কিন বাহিনীর জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
.png)