তিন কারণে পেট্রোল, অকটেন সংকট




Gemini said

ঈদের ছুটি কাটিয়ে নগরবাসী ফিরলেও রাজধানীর পেট্রোল পাম্পগুলোতে দেখা দিয়েছে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট। কোথাও দীর্ঘ লাইন, আবার কোথাও ঝুলছে ‘তেল নেই’ সাইনবোর্ড। অথচ সরকারি তথ্যমতে, দেশে পেট্রোল ও অকটেনের উৎপাদন ও মজুত পর্যাপ্ত। কেন এই কৃত্রিম সংকট? মূল বিষয়গুলো নিচে সহজভাবে তুলে ধরা হলো:

দেশে পর্যাপ্ত উৎপাদন সত্ত্বেও কেন পেট্রোল-অকটেনের হাহাকার?

জ্বালানি খাতের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে পেট্রোলের শতভাগ চাহিদাই অভ্যন্তরীণভাবে মেটানো হয়েছে। অকটেনের একটি বড় অংশও দেশীয় গ্যাস ক্ষেত্র থেকে পাওয়া ‘কনডেনসেট’ পরিশোধনের মাধ্যমে আসে, আর বাকিটা আমদানি করা হয়। গত ৫ বছরে জ্বালানির ব্যবহার বাড়লেও সরবরাহে ঘাটতি থাকার কথা নয়।

সংকটের নেপথ্যে ৩টি প্রধান কারণ:

  • বাজার কারসাজি: পাম্প মালিকদের অভিযোগ, বেসরকারি রিফাইনারিগুলো বেশি মুনাফার আশায় বা দাম বাড়ার অপেক্ষায় সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে।

  • আতঙ্কে কেনাকাটা: জ্বালানির দাম বাড়তে পারে—এমন গুজবে সাধারণ মানুষ প্রয়োজনের চেয়ে অতিরিক্ত তেল কিনছেন। ফলে কয়েক দিনের মজুত কয়েক ঘণ্টায় শেষ হয়ে যাচ্ছে।

  • সরবরাহ ব্যবস্থার দুর্বলতা: ডিস্ট্রিবিউশন চেইনে স্বচ্ছতা না থাকায় অনেক পাম্পে চাহিদা অনুযায়ী নিয়মিত তেল পৌঁছাচ্ছে না।

সমাধান কী? জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উৎপাদন ঠিক থাকলেও সরবরাহ ব্যবস্থায় কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। সরকার স্পষ্ট জানিয়েছে যে, তেলের দাম বাড়ছে না। তাই আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত তেল মজুত করা বন্ধ করলে এবং বাজার কারসাজি রোধ করলে পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হবে।

Post a Comment

Previous Post Next Post