Gemini said
কিডনি রোগকে অনেক সময় 'নীরব ঘাতক' বলা হয়, কারণ এর লক্ষণগুলো শুরুতে খুবই সূক্ষ্ম থাকে। ন্যাশনাল কিডনি ফাউন্ডেশনের মতে, বিশ্বের প্রায় ১০ শতাংশ মানুষ দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগে আক্রান্ত। সময়মতো প্রাথমিক লক্ষণগুলো চিনতে পারলে বড় ধরনের শারীরিক ক্ষতি এড়ানো সম্ভব।
নিচে কিডনি সমস্যার ৫টি প্রধান লক্ষণ সহজভাবে তুলে ধরা হলো:
প্রস্রাবের পরিবর্তন: প্রস্রাবের পরিমাণ হঠাৎ অস্বাভাবিকভাবে বাড়া বা কমা, রাতে বারবার প্রস্রাব হওয়া কিংবা প্রস্রাবে ফেনা বা রক্তের উপস্থিতি কিডনি সমস্যার বড় সংকেত।
শরীরে ফোলাভাব: কিডনি ঠিকমতো কাজ না করলে শরীরে অতিরিক্ত পানি ও লবণ জমতে থাকে। ফলে পা, গোড়ালি বা চোখের পাতা ফুলে যেতে পারে।
দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি ও দুর্বলতা: কিডনি দুর্বল হলে শরীরে রক্তস্বল্পতা দেখা দেয়। ফলে অল্প পরিশ্রমেই প্রচণ্ড ক্লান্তি ও দুর্বলতা অনুভূত হয়।
খাবারে অরুচি ও বমিভাব: রক্তে বর্জ্য জমা হতে শুরু করলে খাবারে অনীহা তৈরি হয়। এছাড়া মুখে ধাতব স্বাদ বা সবসময় বমি বমি ভাব লাগতে পারে।
অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ: ওষুধ খাওয়ার পরেও যদি উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে না আসে, তবে দ্রুত কিডনি পরীক্ষা করানো প্রয়োজন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, যাদের ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ বা পরিবারে কিডনি রোগের ইতিহাস রয়েছে, তাদের নিয়মিত রক্ত ও প্রস্রাব পরীক্ষা করা জরুরি। গুরুতর লক্ষণের জন্য অপেক্ষা না করে আগেভাগে সচেতন হওয়াই সুস্থ থাকার সেরা উপায়।