জাতীয় সংসদে আরও ১০টি বিল পাস: অধ্যাদেশগুলো আইনে রূপান্তর
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় জরুরি প্রয়োজনে জারি করা অধ্যাদেশগুলোকে পূর্ণাঙ্গ ও স্থায়ী আইনে রূপান্তরের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে নতুন করে আরও ১০টি বিল পাস হয়েছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৩তম দিনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বিলগুলো পাস হয়। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা যখন বিলগুলো উত্থাপন করেন, তখন সেগুলোর ওপর কোনো সংশোধনী প্রস্তাব না থাকায় বিলগুলো সরাসরি আলোচনার সুযোগ পায়নি এবং অধিবেশনে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।
পাস হওয়া এই ১০টি বিলের মধ্যে পাঁচটিই মূলত বড় শহর ও বিভাগীয় অঞ্চলের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য প্রস্তাবিত। এগুলো হলো—নারায়ণগঞ্জ, বরিশাল, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা এবং রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল-২০২৬। এছাড়া জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য বিলের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি (সংশোধন) বিল, বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশন বিল, আমানত সুরক্ষা বিল, এক্সাইজেস অ্যান্ড সল্ট বিল এবং মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক সংক্রান্ত বিল।
উল্লেখ্য যে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদে মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল। এই বিশাল কর্মযজ্ঞ যাচাই-বাছাইয়ের জন্য সংসদের একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি পর্যালোচনার পর ৯৮টি অধ্যাদেশ কোনো পরিবর্তন ছাড়াই পাসের সুপারিশ করে এবং ১৫টি বিল সংশোধনের পরামর্শ দেয়। বাকি ২০টির মধ্যে ৪টি বাতিল করা হয়েছে এবং ১৬টি অধ্যাদেশকে আরও যুগোপযোগী ও শক্তিশালী করে নতুন বিল আকারে সংসদে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আজকের এই ১০টি বিল পাসের মাধ্যমে দেশের প্রশাসনিক ও রাষ্ট্রীয় কাঠামোর আইনি ভিত্তি আরও সুসংহত হলো।
.png)